বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা। তিনি বলেন: এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার দেশের রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বুধবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে লেদার প্রোডাক্টস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলএফএমইএবি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
টিপু মুনশি বলেছেন: রপ্তানি বহুমুখীকরণ এমন একটি পদক্ষেপ যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম রপ্তানিমুখী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। রপ্তানি-নেতৃত্বাধীন বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় উদ্ভাবনী নীতি তৈরি করে এবং বিদেশী ক্রেতা ব্র্যান্ড এবং বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বাণিজ্য-বান্ধব নীতি সমর্থন করে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক হিসাবে, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের $৩০০ বিলিয়ন রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, চামড়াজাত পণ্য এখনো রপ্তানি আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিশ্ববাজারে চামড়াজাত পণ্য সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ দ্রুত একটি নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হয়ে উঠছে। বিশ্ববাজারে প্রবেশ করতে হবে। আমাদের পণ্যের কোয়ালিটি অনেক এগিয়ে গেছে, যা আন্তর্জাতিক মান ধরে রেখেছে। এসব পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে ব্র্যান্ডিংয়ের বিকল্প নেই। ব্লিস-২০২৩ এই লক্ষ্য অর্জনে অসামান্য অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের মোট রপ্তানির ৮৩ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। কিন্তু এই খাত একদিনে এই জায়গায় আসেনি। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের একটি বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অনেক সম্ভাবনাময় একটি খাত। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামড়া-শিল্প খাতসহ সকল রপ্তানি শিল্পসমূহের সমান নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করার অন্যতম হাতিয়ার রপ্তানি বহুমুখীকরণ। বাংলাদেশ বর্তমানে এশিয়ার অন্যতম রপ্তানিমুখী দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে আর্বিভূত হয়েছে। রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধি সুসংহত করতে এবং রপ্তানি বহুমুখী করার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিদেশি ক্রেতা-ব্র্যান্ডস ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে উদ্ভাবনী নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসাবান্ধব নীতি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।’
‘দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয় করা চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।’
