চীন ওয়াশিংটনকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে টেলিফোন কথোপকথনে একথা বলেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল ও গাজার মধ্যকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। এ সময় এই সংঘর্ষ যেন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে চীনের সহায়তা চেয়েছেন ব্লিঙ্কেন। জবাবে ওয়াং ওয়াশিংটনকে ‘গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা’ পালন করার আহ্বান জানান।
ওয়াং বলেন, ‘পুরো বিশ্বে প্রভাব ফেলতে পারে, এমন সঙ্কট মোকাবিলা করার সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারা দেশগুলোকে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠতা ও ন্যায্যতা মেনে চলতে হবে। বজায় রাখতে হবে শান্তি ও সংযম। একইসাথে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে হবে।’ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব বেইজিং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে ‘শান্তি আলোচনা’ আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে।’
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনের আহ্বান জানিয়েছে। কারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত ক্রমবর্ধমান হচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনের আহ্বান জানিয়েছে। কারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত ক্রমবর্ধমান হচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’
ওয়াং ব্লিঙ্কেনকে বলেছিলেন, বেসামরিকদের ক্ষতি করে এমন সমস্ত কাজের বিরোধিতা এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এমন অনুশীলনের নিন্দা করে চীন। ওয়াশিংটনকে গঠনমূলক এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক হট-স্পট সমস্যাগুলো মোকাবিলা করার সময় প্রধান দেশগুলোকে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠতা এবং ন্যায্যতা মেনে চলতে হবে, শান্ততা এবং সংযম বজায় রাখতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে হবে।
সংঘাতের বিষয়ে চীনের সরকারি বিবৃতিতে তাদের সহিংসতার নিন্দায় বিশেষভাবে হামাসের নাম উল্লেখ করা হয়নি, পরিবর্তে নিন্দা জানিয়ে ‘শক্তির নির্বিচার ব্যবহার’ উল্লেখ করে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়াও ‘গাজার জনগণের সম্মিলিত শাস্তি’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনের আহ্বান জানিয়েছে। কারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত ক্রমবর্ধমান হচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।’
