কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ প্রচুর। ফলে মৌসুমি এই ফলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে । বিঘ্নিত হয় না রক্ত সংবহন পদ্ধতিও।
এছাড়াও কাঁঠাল শরীরের অকাল বার্ধক্য এবং মরিচা প্রতিরোধ করে।
পরিমিত পরিমাণে খেলে কাঁঠাল পরিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে। কারণ অন্যান্য ফলের মতো কাঁঠালও ফাইবারসমৃদ্ধ।
কাঁঠালের বীজ অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। মেয়েদের মধ্যে অনেকেই অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত। কাঁঠালের বীজে আয়রন আছে। আয়রন দেহে লোহিত কণিকার মাত্রা বাড়ায়। ফলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে
কাঁঠালের বীজে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে কারণ এতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এগুলিতে বি ভিটামিন রয়েছে, যা খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কমিট সেন্টার ফর প্রিসিশন মেডিসিন অ্যান্ড হেলথের প্রতিষ্ঠাতা ও অ্যান্টি-এজিংয়ে সহায়তাকারী অ্যাপ গ্রকহেলথের উদ্যোক্তা ফ্লোরেন্স কমিট বলেন, ‘আমাদের যত বয়স বাড়ে, ততই ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ডিএনএ। এভাবে একসময় তা শরীরের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। শরীরের ভেতরে আর বাইরে চামড়ায়, চুলে সেই ছাপ পড়ে। চামড়া কুঁচকে যায়, চুল পাতলা হয়ে যায়, বদলে যায় রং।’
তবে এসবের সঙ্গে সুখবরও জানিয়েছেন ফ্লোরেন্স। বলেছেন, চাইলেই খাদ্যাভ্যাস আর জীবনযাপনের পদ্ধতি বদলে এই বুড়িয়ে যাওয়ার গতিকে কমানো যায়। এ জন্য বেশি বেশি ফল আর সবজি খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এর ভেতর ২০২১ সালে ‘হার্ভার্ড মেডিকেল স্টুডেন্ট রিভিউ’য়ে প্রকাশিত একটি গবেষণায় চারটি ফলের কথা বলা হয়েছে, যেগুলো কেবল বুড়িয়ে যাওয়াই রোধ করবে না, শারীরিক জটিলতাজনিত যেকোনো মৃত্যুর ঝুঁকি কমাবে ১৩ শতাংশ, হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে ১২ শতাংশ, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে ১০ শতাংশ ও শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমাবে ৩৫ শতাংশ। ফল চারটির কথা জেনে নেওয়া যাক।
