আগামী ১ নভেম্বর পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা থেকে বাঙ্গু পর্যন্ত নতুন রেল চলাচল শুরু হবে। তাই বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালককে (পূর্ব ও পশ্চিম) এই রুটে দুটি ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ রেল পরিবহন ও পরিবহন শাখার উপ-মহাপরিচালক (টিটি) শওকত জামিল মশি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ের
এই চিঠিতে বলা হয়েছে যে, বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে চলাচলকারী সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৫/৭২৬) পদ্মা সেতু এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৫/৭৯৬) হয়ে চলাচলকারী ট্রেনের সুবিধার্থে ১ নভেম্বর থেকে ডাইভার্ট করা হয়েছে। ট্রেনটি বেনাপোল-ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচল করে।
২ নভেম্বর থেকে রুট পরিবর্তন করে পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। এর অ্যাপ্রোচ সড়ক ১২ দশমিক ১১৭ কিলোমিটার।
ভায়াডাক্ট ৩ দশমিক ১৪৮ কিলোমিটার (সড়ক) এবং ৫৩২ মিটার (রেল)।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য মোট খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা সেতু অতিক্রম করবে এবং ২ নভেম্বর থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেস যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা সেতু অতিক্রম করবে।
