সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অবরোধের প্রথম দিন সকাল থেকেই জীবিকার তাগিদে কর্মজীবী মানুষদের সড়কে বের হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে আগুন আতঙ্কের কারণে বাসের জানালা বন্ধ করে রাখাসহ বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে দেখা গেছে বাস চালকদের।
সকাল থেকে আন্তঃজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন পরিবহনের বাস গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। খুব সকালে বাস কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের যানবাহনের সংখ্যা। তবে কোনো বাস স্টপেজেই খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়নি বাসগুলোকে। অপেক্ষমাণ যাত্রী ওঠানো হলেই খুব দ্রুত স্টপেজ ছেড়ে যেতে দেখা যায়। আর যাত্রী না থাকলে স্টপেজে বাস দাঁড়াতেই দেখা যায়নি। পাশাপাশি আগুন আতঙ্কের কারণে জানালা বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলেও জানান বাসের কর্মচারীরা।
সাভার থেকে ছেড়ে আসা মৌমিতা পরিবহনের একটি বাস শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সামনে যাত্রী ওঠানোর জন্য থামানোর পর গাড়ির জানালা লাগিয়ে দিতে দেখা যায় চালকের সহকারী সিরাজুল ইসলামকে। তিনি বললেন, গতকাল (শনিবার) রাতে বেশ কয়েক জায়গায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে। সেজন্য আমরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছি। যাত্রী ওঠানোর সময়ও খেয়াল করছি। কেউ যেন জানালা দিয়ে আগুন দিতে না পারে, সেজন্য যাত্রীদের বারবার জানালা বন্ধ রাখতে বলা হচ্ছে। সাভার থেকে খুব দ্রুতই টেনে এসেছি। স্ট্যান্ডে পৌঁছাতে পারলেই নিশ্চিন্ত। ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ
প্রজাপতি পরিবহনের বাসচালক জয়ন্ত বলেন, খুব সকাল হলেও আজ থেকে অফিস-আদালত খোলা, সেজন্য যাত্রীর সংখ্যা বেশ ভালোই। কোনো জায়গায় বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে না থেকে তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।
