কারখানা থেকে ডিপোতে পরিবহনের সময় চুরি যাওয়া রপ্তানির পোশাকের একটি চালান জব্দ করেছে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. কাউসার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৯ নভেম্বর পতেঙ্গা থানা পুলিশ জানায়, গত ১৪ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ আদমজীনগর ইপিক গার্মেন্টস লিমিটেড থেকে রপ্তানির একটি পোশাকের চালান চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। চালানটি নগরের পতেঙ্গা থানার চরপাড়া এসএপিএল ডিপোতে পৌঁছার কথা ছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের ডিপোতে না পৌঁছে চালানটি চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৫ নভেম্বর পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।
পতেঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খাজা এনাম এলাহী ঢাকা পোস্টকে বলেন, মামলা দায়ের পর তথ্যপ্রযুক্তি ও নিজস্ব সোর্সের সহায়তায় ১৭ নভেম্বর নগরের কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে প্রথমে কাউসারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কোতোয়ালি থানার রেলওয়ে সুপার মার্কেট ১ নম্বর গলির আহমেদ পার্সেল সার্ভিসের অফিস থেকে চুরি যাওয়া প্রায় ২ হাজার ৮১১ পিস পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। চালানটিতে প্রায় ৩ হাজার পিস নারীদের পোশাক ছিল। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার কাউসারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চোরদের কাছ থেকে পোশাক কিনে তা বিক্রি করতে করতে নিজেই হয়ে যান চোর। চক্র গড়ে শুরু করেন রপ্তানিমুখী কারখানার পোশাক চুরি। সেই পোশাক বিক্রি করে কোটিপতি হয়েছেন, ঢাকায় বাড়ি করেছেন, কিনেছেন দামি গাড়ি। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। ধরা পড়েছেন। পোশাকের একটি চালান জব্দ
চোর চক্রের এই ‘প্রধানের’ নাম তাওহীদুল ইসলাম। গত ২৪ ডিসেম্বর ঢাকার ডেমরার মীরপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত কারখানায় অভিযান চালিয়ে তাঁকেসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বাহিনীটির কর্মকর্তারা বলছেন, চোরের চক্রটি এতই আত্মবিশ্বাসী ছিল যে চুরির আগেই রপ্তানি পণ্য অসাধু পোশাক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিত। অসাধু পোশাক ব্যবসায়ীরা আবার সেই পণ্য বিদেশে পাঠাতেন।
