জেনিন শরণার্থী ক্যাম্পে রাতভর

ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরের জেনিন শরণার্থী ক্যাম্পে রাতভর তাণ্ডব চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা।

২৯ নভেম্বর মধ্যরাতে জেনিনে কথিত অভিযানের নামের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তারা। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জেনিনে ইসরায়েলের হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে আট বছর বয়সী এক শিশুর মাথায়; ১৫ বছর বয়সী অপর শিশুর বুকে গুলি লাগে।

ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফাকে স্থানীয় মানুষ ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা আদ-দামজ এলাকার বাসিন্দাদের বন্দুকের মুখে বাড়ি খালি করার নির্দেশ দেয়। এ সময় তারা ওই এলাকার বিভিন্ন সড়ক ধ্বংস করে দেয়।

অপরদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, বুধবার রাতে সীমান্ত পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য ও তাদের সেনাদের যৌথ হামলায় জেনিনে দুই ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে।

তারা হলেন, জেনিন শরণার্থী ক্যাম্পের ইসলামিক জিহাদ গ্রুপের জ্যেষ্ঠ নেতা মুহাম্মদ জুবাইদি এবং স্থানীয় সদস্য হুসাম হানুন। জেনিন শরণার্থী ক্যাম্পে রাতভর

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, মুহাম্মদ জুবাইদি ওই এলাকায় কয়েকটি হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

এই দুই প্রতিরোধ যোদ্ধাকে একটি বাড়ির ভেতর হত্যা করা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সঙ্গে জেনিনের এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভোর ৫টার দিকে ইসরায়েলি সেনারা তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। এরপর তার বাড়িতে হামলা চালায়। তিনি তখন বুঝতে পারেন, দুই প্রতিরোধ যোদ্ধা তার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছিল। ওই সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে তারা নিহত হন।

শহরটিতে এক হাজার সেনা স্থল অভিযান চালাচ্ছে। সে সঙ্গে ড্রোন ও বিমান থেকে গোলা নিক্ষেপ করা হচ্ছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সোমবার রাতে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে আবার হামলা শুরু হয়।

এদিকে আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে মেডিক্যাল ক্যাম্প ও হাসপাতালগুলো। কিছুক্ষণ পর পরই আহতদের নিয়ে আসা হচ্ছে। চিকিৎসাধীন ২০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইসরায়েল বলছে, এখনও ১০টি লক্ষ্যে আঘাত হানা বাকি। ওই সব লক্ষ্য থেকে সশস্ত্ররা সরে না যাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা স্পেনে

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments