বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী কীভাবে হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রতিষ্ঠান।
ভারতসহ তৃতীয় কোনো দেশ এ ব্যাপারে রায় দেওয়ার অধিকার নেই। ভারত একটি বড় গণতান্ত্রিক দেশ হলেও অন্য দেশে গণতন্ত্র রপ্তানি করছে না।
সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাওয়ে সাংবাদিক ‘জহুর হোসেন চৌধুরী’ স্মারক বক্তৃতা শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: সম্পর্কেও রোল মডেল’। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক করিম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দুই দেশের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কে উন্নয়ন হয়েছে তা তুলে ধরেন।
তাদের মতে, যে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি। আর রাজনৈতিক সদিচ্ছার কারণেই গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অনেকগুলো ইস্যু নিষ্পত্তি হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- সমুদ্র সীমা নির্ধারণ, স্থল সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি এবং উভয় দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা অন্যতম। তবে দুই দেশেরই কিছু কমন সমস্যা রয়েছে। এগুলো হলো- দরিদ্রতা, বেকারত্ব এবং পানি সমস্যা অন্যতম। এগুলো সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে উভয় দেশ। ভারতীয় সাবেক হাইকমিশনার
পঙ্কজ শরণ বলেন, প্রত্যেক দেশের জন্যই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব পদ্ধতি ও প্রতিষ্ঠান আছে। জনগণের দ্বারা এবং আকাঙ্ক্ষায় ওই দেশের নির্বাচন সম্পন্ন হয়। না হলে স্বাধীনতার অর্থ বা ধারণা কি। এক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় মঙ্গল কামনা করি।
তার মতে, কাকে নির্বাচিত করবে তা জনগণেরই সিদ্ধান্ত। সেটি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান যে দেশই হোক সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ভারত চায় বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে হয়। বাংলাদেশের জনগণ, এর প্রতিষ্ঠানগুলো সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে নির্বাচন হবে।
