সামরিক বাহিনীর সাথে বিদ্রোহীদের

মিয়ানমারের দুই-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ডজুড়ে সামরিক বাহিনীর সাথে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ চলছে। বিদ্রোহী-জান্তার লড়াইয়ে গত কয়েক মাসে ৩৬০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি ঘটেছে। এই সংঘাতে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। 

সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে বিদ্রোহীদের সাথে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছেন সামরিক বাহিনীর শত শত সদস্য। পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইনসহ অন্যান্য প্রদেশেও জান্তা সৈন্যরা বিদ্রোহীদের সাথে লড়াইয়ে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। এরইমধ্যে চীনের মধ্যস্থতার যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পরেই সশস্ত্র বিদ্রোহী তিন গোষ্ঠীর জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’-এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে মিয়ানমার সেনা।
বুধবার রাখাইন প্রদেশের রামরি দ্বীপে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ডেরায় বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মিয়ানমার বিমানবাহিনী। পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকেও হামলা চালানো হয়েছে।   সামরিক বাহিনীর সাথে বিদ্রোহীদের

এই দ্বীপে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ার জন্য চীনের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের। তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী— ‘তাঙ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ (টিএনএলএ), ‘আরাকান আর্মি’ (এএ) এবং ‘মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’র (এমএনডিএএ) নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় চলতি সপ্তাহেই চীনের মধ্যস্থতায় আয়োজিত শান্তি বৈঠক ভেস্তে গিয়েছিল। 

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস তাদের এক রিপোর্টে বলছে, ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স এবং আরও দু’টি সশস্ত্র গোষ্ঠী মিলে ‘ব্রিগেড ৬১১’ নামে একটি বাহিনী গঠন করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জনজাতিদের নিয়ে গঠিত হয়েছে ওই বাহিনী। তারাই এই মুহূর্তে রয়েছে লড়াইয়ের প্রথম সারিতে। 

ভারতের মণিপুরে ৮৭ জনকে গণকবর

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments