গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৃতীয় ধাপে আরো ১৫ কোটি টাকার প্রণোদনা দেবে সরকার। সোমবার (২ অক্টোবর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়।১
মন্ত্রণালয়ের প্রধান গোয়েন্দা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বাহভিয়ান স্বাক্ষরিত বিবৃতি অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের জন্য মোট প্রণোদনার পরিমাণ ৪৭ কোটি টাকা। পূর্বে, এই বছর পেঁয়াজ চাষ ও উৎপাদন বাড়াতে দুই ধাপে ৩২ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়েছিল।সরকার ২৯শে আগস্ট দ্বিতীয় দফায় ১৬কোটি ২০লাখ টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। ১৫ কোটি টাকার প্রণোদনা
প্রথম ধাপে ১১মে ১৮০০০ কৃষককে১৬ কোটি টাকার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এই পেঁয়াজ নভেম্বরে বাজারে আসবে এবং ডিসেম্বর।নাবী জাতের এই পেঁয়াজ রোপণের সময় নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর উৎপাদন বা বাজারে আসবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বাজেট কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা এবং বীজ ও চারা খাত থেকে এ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ ইতিমধ্যে জারি হয়েছে। মাঠপর্যায়ে শিগগিরই এসব প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।১৫ কোটি টাকার প্রণোদনা
পিয়াজ আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। পেঁয়াজ আমাদের যে কোন খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ। এছাড়া পেঁয়াজের মধ্যে পুষ্টিগুণের সঙ্গে যে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে তা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারি।
রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ রাখে: নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনাও অনেকটা কমে যায়।
হজমশক্তি বৃদ্ধি করে: হজমে যাদের সমস্যা রয়েছে তাঁরা প্রতিদিন একটু কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। পেঁয়াজ খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন এনজাইম বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়।
সংক্রমণ সারায়: পেঁয়াজের মধ্যে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় পদার্থ রয়েছে। তাই শরীরে কোথাও সংক্রমণ হয়ে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। এতে ভালো উপকার মিলবে। এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি, কাশির সমস্যা থাকে না। ঠান্ডা লাগার ফলে গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি, জ্বর, অ্যালার্জি বা সামান্য গা ব্যথায় দারুণ কাজ করে।
রংপুরে খোলাবাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।
