সুদানে সেনাবাহিনী ও মিলিশিয়া বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ আরম্ভ হওয়ার পর সেখানে আটকা পড়েছে দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি।
সুদানে সেনাবাহিনী ও মিলিশিয়া বাহিনীর ভিতরে লড়াই চালু হওয়ার পর ওখান অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদে অন্য দেশের সাহায্যে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
শুরুতে কান্ট্রিতে ফিরতে ইচ্ছুক প্রায় ৫০০ বাংলাদেশিকে পোর্ট সুদানে এবং সেখান থেকে জাহাজে করে জেদ্দায় নিতে চায় খার্তুমের বাংলাদেশ দূতাবাস। এরপর জেদ্দা থেকে বাংলাদেশিদের বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরানো হবে। সেজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
খার্তুমের বাংলাদেশ দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দূতাবাস এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ৩০ এপ্রিল থেকে ১ বা ২ মের ভিতরে ১ম দফায় ৫০০ বাংলাদেশিকে সুদান হতে জেদ্দায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এসব বাংলাদেশিদের পোর্ট সুদানে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর সেখান হতে তাদের জাহাজে করে জেদ্দা নেওয়া হবে। কিন্তু এখনও জাহাজ ভাড়া চূড়ান্ত হয়নি। জাহাজ ভাড়ার তারিখ চূড়ান্ত হলে বাস ভাড়া করবে দূতাবাস।
বাংলাদেশিদের ফেরানোর প্রক্রিয়া সম্মন্ধে জানতে চাইলে খার্তুমে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তারেক আহমেদ আবরণ পোস্টকে বলেন, বর্তমানে আমরা খার্তুম হতে প্রায় ২০০ কিলোমিটার সরে অবস্থান করছি। এখান থেকেই আমাদের কাজ করার জন্য হচ্ছে। আমরা একটা তারিখ চূড়ান্ত করেছি ৩০ এপ্রিল। কিন্তু জাহাজ এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। যার জন্য এ তারিখটা চূড়ান্ত না। জাহাজের তারিখ চূড়ান্ত করার পর বাস চূড়ান্ত করা হবে। আমরা প্রার্থনা করছি, ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মার্চের ভিতরে বাংলাদেশিদের জেদ্দায় নিতে পারব।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পোস্টে বলেন, সুদানে বিদ্যমান বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে অন্য দেশের সাহায্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরুর ডিসিশন হয়েছে। খার্তুমে বাংলাদেশ দূতাবাস ইতিমধ্যে এই বার্তা ওই স্থান অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভিতরে প্রচার চালু করেছে।

ফেসবুক পোস্টে শাহরিয়ার আলম এইরকম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরে অবলম্বন করবে, কীভাবে কোন নিয়মে তাঁরা গমন করবেন। সবাইকে দূতাবাসের নির্দেশনা মেনে নিবন্ধন তার সাথে মুল্যবান কাজ করার আরজি করছি। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অনুরোধ করছি দূতাবাসে যোগাযোগ না করার জন্য। কারণ, সকলেই ব্যস্ত এবং রুটগুলো সিকিউরিটির খাতিরে না জানানোই ভালো। আমরা সকলের সাহায্য কামনা করছি।’
গত শনিবার সুদানের প্রচলিত পরিস্থিতির কারণে দেশটি সফর থেকে বিরত থাকার জন্য বাংলাদেশিদের পরামর্শ দিয়ে সতর্কতা জারি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

