বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সিলেট ১০ নং কূপ থেকে আমরা প্রতিদিন ১৮ এমএমসিএফ গ্যাস পেতে যাচ্ছি। আগামী ৭ মাসের মধ্যেই তা পাব, যেহেতু এটা হাইপ্রেসার লাইন। গত ৮ মাসে আমরা প্রায় ১০০ এমএমসিএফ গ্যাস আবিষ্কার করেছি। ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে প্রায় ৬০০ এমএমসিএফ গ্যাস আমরা সিস্টেমে যোগ করতে পারব।
রোববার (২৬ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভোলা, বিয়ানীবাজার, সিলেট ১০ সহ আবিষ্কৃত গ্যাসকূপগুলো আমাদের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে। ২ বছরের মধ্যে আমরা মোট ৪৬টা কূপ খনন করতে যাচ্ছি৷খনন শেষে গ্রিডে ৬০০ এমএমসিএফ গ্যাস যুক্ত হবে। অর্থনৈতিকভাবে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৈলাশটিলার কূপ থেকে আমরা ৭০ এমএমসিএফ গ্যাস পেতে যাচ্ছি। যার মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এই গ্যাস আমরা পাইপলাইনের মাধ্যমে খুলনা নিয়ে যাব। যার জন্য প্রায় আড়াই বছর সময় লাগবে। আমরা পরিকল্পনা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
দেশের সবচেয়ে পুরাতন গ্যাসক্ষেত্র হরিপুরের ১০ নম্বর কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। খনন কাজ শেষে আজ রোববার (২৬ নভেম্বর) গ্যাস প্রাপ্তির তথ্য নিশ্চিত করেছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)।
এসজিএফএল’র ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, “এই কূপ থেকে দৈনিক ১৩ মিলিয়ন গ্যাস পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
এর আগে, গত জুনে কূপটিতে খনন কাজ শুরু হয়। ১৪৯ কোটি টাকায় সিলেট-১০ নম্বর কূপ খনন করে চীনা কোম্পানি সিনোপেক। কূপটিতে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কর্তৃপক্ষ।
হরিপুরে গ্যাস পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, “এই কূপ থেকে উৎপাদনে যেতে আরও ছয় মাসের মতো সময় লাগবে। পাইপলাইন বসিয়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।”
সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন এই কূপে মজুদ গ্যাসের মূল্য ৩,৬০০ কোটি টাকা। এলএনজির আমদানি মূল্য হিসেবে যার দাম দাঁড়াবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
এর আগে, গত ২২ নভেম্বর সিলেট কৈলাসটিলায় পরিত্যক্ত ২নং কূপ থেকে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। সেখান থেকে দৈনিক ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে।
এই কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, “হরিপুর গ্যাসফিল্ডে মোট নয়টি গ্যাস কূপ রয়েছে। এবার ১০নং কূপ থেকে উত্তোলন শুরু হবে।
