টানা হারে দেয়ালে পিঠটাই ঠেকে গিয়েছিল বাংলাদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটায় দরকার ভাল কিছু্। হারলেই পড়তে হবে সমীকরণের এক জটিল মারপ্যাঁচে। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাই দরকার ছিল উড়ন্ত সূচনার। পাওয়ারপ্লের দশ ওভার শেষে টাইগার শিবির যে তেমন কিছু পেয়েছে তা এখন বলাই যায়।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ক্যাচ উঠেছিল। তবে দ্রুতগতির ওই বলের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না তানজিদ তামিম। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে জীবন পেয়েছিলেন রেজা হেন্ড্রিকস। তবে সেই আক্ষেপটা বাড়তে দেননি শরীফুল। ইনিংসের সপ্তম ওভারেই হেন্ড্রিকসকে ফিরিয়েছেন টাইগার পেসার। উইকেট পাওয়ার পর হাসিখুশি শরিফুলের নাচটাও বেশ বিনোদনের জন্ম দিয়েছে। টানা হারে দেয়ালে পিঠটাই
পরের ওভারেই আরেক চিত্র দেখা গেল। মিরাজের ওভারের পঞ্চম বলে আউট হয়েছেন রসি ভ্যান ডার ডুসেন। মিরাজের বলের টার্ন বুঝতে ভুল করে ফেলেছিলেন প্রোটিয়া ব্যাটার। বল সরাসরি আঘাত করে প্যাডে। আম্পায়ারের আবেদনের অপেক্ষাও করেননি মিরাজ ও মুশফিক। তাদের অবশ্য নিরাশও করেননি ফিল্ড আম্পায়ার। শরীফুলের হাসিখুশি উদযাপনের বিপরীতে একরকম বুনো উল্লাস করেছেন মুশফিক-মিরাজ।
তবে এখনও পর্যন্ত উৎসবের চেতনা ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। ১৩তম ওভার শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ৬০ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
বাংলাদেশের পিঠ ছিল দেয়ালে। দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে ভালো কিছু দরকার। হেরে গেলে সমীকরণের জটিল গোলকধাঁধায় পড়ে যাবেন। তাই মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে উড়ন্ত সূচনা দরকার ছিল। পাওয়ারপ্লে-র দশ ওভার শেষে বলা যায় টাইগার শিবির সেরকম কিছু পেয়েছে।
