রাজধানীর মহাখালীর বহুতল ভবন খাজা টাওয়ারে আগুন লাগায় মুঠোফোন ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট-সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ওই ভবনে আগুন লাগে। এরপর থেকে অনেক মুঠোফোন নম্বরে কল করা যাচ্ছে না বলে গ্রাহকেরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মুঠোফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, খাজা টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোবাইল অপারেটরদের একে অপরের মধ্যে ভয়েস কলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ওই ভবনে ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ থাকার কারণে এমনটি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আইসিএক্স অপারেটরদের সহযোগিতায় মুঠোফোন অপারেটররা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তসংযোগ ব্যবস্থা অন্যত্র পুনঃস্থাপনের জন্য কাজ করছে। দ্রুতই পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে বলে তারা আশা করছে।
এ ঘটনায় ইন্টারনেট–সেবা বিঘ্নিত হওয়ার কথা জানিয়ে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) কোম্পানিগুলো বলেছে, খাজা টাওয়ারে দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ডেটা সেন্টার রয়েছে। আগুন লাগার কারণে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ইন্টারনেট–সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। মহাখালীর বহুতল ভবন
ইন্টারনেট–সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি এমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি ইন্টারনেট–সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ব্যান্ডউইডথ আসত খাজা টাওয়ারের দুই ডেটা সেন্টার থেকে। এই ইন্টারনেট–সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট–সেবার ৭০ শতাংশ দিয়ে থাকে। যেহেতু ডেটা সেন্টারগুলো বন্ধ হয়েছে, তাই ইন্টারনেট–সেবায় বিঘ্ন হচ্ছে। তবে মুঠোফোনে ইন্টারনেট–সেবা সচল রয়েছে।
আমতলী মহাখালী এলাকায় খাজা টাওয়ারে ১৪ তলা রয়েছে। আগুন ভবনের ১১, ১২ ও ১৩ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। ১২টি ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভায়।
আইএসপিএবির সভাপতি ইমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, আজ যদি ভবনে প্রবেশ করে কিছু কাজ করা যায়, তাহলে রাতের মধ্যেই পরিস্থিতি সহনীয় অবস্থায় আনা যাবে। তিনি আরও বলেন, আইআইজি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আইএসপিরা ব্যান্ডউইথ নেয়। দেশে শীর্ষস্থানীয় আইএসপি যাদের কাছ থেকে ব্যান্ডউইথ নেয়, তাদের ১০-১২টির ডেটা সেন্টার খাজা টাওয়ারে।
