নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বৈধ মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন রেকর্ডসংখ্যক ৫৬১ জন প্রার্থী, যা একাদশ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে ১৮টি বেশি। এবারের আপিলের মধ্যে অন্তত ৩০টিরও বেশি আবেদন হয়েছে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে।

গতকাল শনিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানিয়েছেন, আজ রবিবার থেকে এসব আপিল আবেদন শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন। যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এদিকে শেষ দিনে ঝালকাঠি-১ আসনে আলোচিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহজাহান ওমরসহ নৌকার আরও ৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে। একইভাবে বরিশাল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ দেবনাথের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ড. শাম্মী আহমেদ আবেদন করেছেন। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ঝালকাঠি-২ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমির হোসেন আমুকে তলব করেছে কমিশন।

গত পাঁচদিনে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন চত্বরে এ আপিল আবেদন করে ইসি। এবারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি-জাপাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৭১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। সেখান থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে ৭৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এসব প্রার্থীর মধ্যে অনেকেই প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল করেছেন। ইসির নিবন্ধিত ২৮টি রাজনৈতিক দল এবারের নির্বাচনে অংশ নিলেও বিএনপিসহ সরকারবিরোধী ১৬টি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে

ইসি কর্মকর্তারা বলেন, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে প্রথম দিন ৪২ জন, দ্বিতীয় দিন ১৪১ জন, তৃতীয় দিন ১৫৫ জন, চতুর্থ দিন ৯৩ জন এবং গতকাল শেষ দিনে ১৩০ জন আপিল করেছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়েও আবেদন করা হয়েছে। একই আসনে একে অন্যের বিরুদ্ধে পালটাপালটি আবেদন করেছেন কয়েক জন প্রার্থী।

১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছে আওয়ামী লীগ

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments